দেশে করোনার চার ভ্যারিয়েন্ট

প্রকাশিত: মে ৩০, ২০২১

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের চারটি ধরন (ভ্যারিয়েন্ট) পাওয়া গেছে।

রোববার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনে যুক্ত হয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক তাহমিনা শিরীন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জনের শরীরে যুক্তরাজ্যের ধরন (ইউকে ভেরিয়েন্ট), ৮৫ জনের শরীরে দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন, ৫ জনের নাইজেরিয়ান ধরন এবং ২৩ জনের শরীরে ভারতীয় ধরন শনাক্ত হয়েছে।

তাহমিনা শিরীন বলেন, এখন পর্যন্ত ২৬৩টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি ভারতীয় ধরন (বি.১.৬১৭) পাওয়া গেছে। এটি ভারতফেরত এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে। তবে এ ধরন বা ভেরিয়েন্ট নতুন কোনো বিষয় নয়। যত রোগী শনাক্ত হবে, সংক্রমণ হবে, নতুন নতুন ধরন পাওয়া যাবে। ধরন যা-ই হোক না কেন, দুটি বিষয়ের মাধ্যমে সংক্রমণ কমানো বা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। এর মধ্যে আছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং টিকা নেয়া।

তিনি বলেন, এখন আমের মৌসুম চলছে। অনেক পরিবার আমের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাগান থেকে আম বেচাকেনা নিশ্চিত করতে হবে। বাজারজাত করার ক্ষেত্রে স্বল্প পরিসরে খোলা ময়দানে আম বিক্রি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অনলাইনে বেচাকেনা করার পরামর্শ দেন তিনি।

অনলাইন বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যতম মুখপাত্র রোবেদ আমিন বলেন, করোনা সংক্রমণ কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক তারতম্য দেখা দিচ্ছে। সীমন্তবর্তী এলাকাগুলোতে কিছু জায়গায় লোকাল ট্রান্সমিশন বেড়েছে। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন বর্ডারে ট্রান্সমিশন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে বিভিন্ন ধরনের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে ভারতীয় ধরনও বিদ্যমান। সীমান্তবর্তী সাতটি জেলায় লকডাউন করার সুপারিশ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটি। নওগাঁ, নাটোর, সাতক্ষীরা, যশোর, রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও খুলনায় লকডাউন করার সুপারিশ করেছে কমিটি। জেলাগুলোয় সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় আছে।