মাছ, চুইঝাল আর প্রাণভরে শ্বাসের শহর

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২১

কোথাও কেউ নেই—কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত এই নাটকের নাম মনে পড়বে খুলনার ক্রিসেন্ট জুট মিলে গেলে। আকার ও শ্রমিকসংখ্যার দিক দিয়ে এটি ছিল দেশের দ্বিতীয় বড় পাটকল। ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠার পর ৭০ বছর এই পাটকল বহু শ্রমিকের জীবিকা জুগিয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে বন্ধ হওয়ার সময়ও সেখানে কাজ করতেন প্রায় ১১ হাজার শ্রমিক।

ক্রিসেন্ট জুট মিলের জমির পরিমাণ ১১৩ একর। ভেতরে কারখানার ভবনের সঙ্গে গাছগাছালিতে ভরা। গত বসন্তে একদিন ভেতরে গিয়ে দেখা গেল, মিলগেটের প্রধান ফটকের পাশে বাঁধানো বকুলতলার বেদিতে ধুলার স্তর জমেছে। দেখেই বোঝা যায়, অনেক দিন সেখানে কেউ বসেনি। চারদিকে শুধু সুনসান নীরবতা।

শুধু ক্রিসেন্ট নয়, খুলনার অনেক পাটকলই এখন বন্ধ। শুধু পাটকল কেন, আরও অনেক কারখানায় উৎপাদন নেই। সব মিলিয়ে শিল্পের শহর খুলনার কারখানায় কারখানায় এখন নীরবতা, নিস্তব্ধতা।

শিল্পের শহর হিসেবে খুলনা তার মর্যাদা হারিয়েছে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরের মতো শহরগুলোর কাছে। তবে এই শহরে মায়া আছে, চুইঝাল আছে, আছে মাছের প্রাচুর্য। নানা নাগরিক সুবিধার অভাব থাকলেও শহরটিতে বাসযোগ্যতা আছে। রূপসা-ভৈরবের তীরে দাঁড়িয়ে প্রাণভরে শ্বাসও নেওয়া যায়।

খুলনার ইতিহাস গবেষক এ এইচ এম জামাল উদ্দীন বলেন, খুলনা পৌর এলাকা অতীতে যশোর জেলার মুরলী থানার অন্তর্গত ছিল। পরে রূপসা নদীর পূর্ব পারে তালিমপুর ও শ্রীরামপুরের কাছে ১৮৩৬ সালে সুন্দরবনের জঙ্গল কেটে নতুন থানা স্থাপন করা হয়। এর নাম দেওয়া হয় নয়াবাদ। এরপর ১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী খুলনা জেলার জন্ম হয়। শহরের মিউনিসিপ্যাল বোর্ড গঠিত হয় ১৮৮৪ সালে। অতীতে ভৈরব-রূপসার কোল ঘেঁষে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর বিস্তৃত ছিল খুলনা শহর। পরে শহর বিস্তৃত হয়েছে।

সেই সময়, এই সময়

ভৈরব ও রূপসা নদীর কোল ঘেঁষে খুলনা অঞ্চলে গত শতাব্দীর ষাটের দশকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা স্থাপিত হতে থাকে। একটি বড় নিউজপ্রিন্ট কারখানাও স্থাপিত হয় খুলনার খালিশপুরে। ওই সময় দেশের শিল্পায়িত এলাকাগুলোর একটি ছিল খুলনা। ফলে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ খুলনায় যেতে শুরু করে কাজের খোঁজে। খুলনা হয়ে ওঠে দেশের অন্যতম বর্ধিষ্ণু শহর।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আশির দশকে খুলনা ছিল জমজমাট, ব্যবসাও ছিল চাঙা। তারপরের চিত্র পুরোটাই ভিন্ন। একে একে বন্ধ হতে থাকে বড় কারখানা। ১৯৯৩ সালে খুলনা টেক্সটাইল মিলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, যেটি ছিল ২৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বড় একটি কারখানা। ভারী শিল্প বন্ধের সেটি ছিল প্রথম ঘটনা। এরপর রাষ্ট্রমালিকানাধীন একমাত্র হার্ডবোর্ড মিল, নিউজপ্রিন্ট মিল ও দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সবশেষ গত বছরের জুলাই মাসে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সব পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে খুলনায় ছিল ৭টি।

ষাট ও সত্তরের দশকে যাঁরা কাজের খোঁজে খুলনায় এসেছিলেন, তাঁদের একজন মো. জাহিদুর রহমান। তিনি ১৯৭৫ সালে ১৮ বছর বয়সে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে খুলনায় আসার পর ক্রিসেন্ট জুট মিলে চাকরি পান। মিলের মাসিক ৩০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি হারানোর পর পরিবারকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

জাহিদুর রহমান বলেন, খুলনায় প্রতি বৃহস্পতিবার ছিল অনেকটা ঈদ উৎসবের মতো। সে দিন শ্রমিকেরা মজুরি পেতেন। এখন অনেকেই স্থায়ীভাবে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন।

অবশ্য বেসরকারি উদ্যোগে খুলনায় নতুন নতুন কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হয়েছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর খুলনার তথ্যমতে, খুলনায় ৪১টি পাটকল, ৪০টি মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, ২টি সিমেন্ট কারখানাসহ মোট ৬৪৪টি কারখানা নিবন্ধিত রয়েছে।

নানা সমস্যা শহরে

খুলনা শহরে ২০০টির বেশি ছোট-বড় বস্তিতে দুই লাখের বেশি নিম্ন আয়ের মানুষ বাস করে। এ ছাড়া নগরের লবণচরা, চানমারী, বানরগাতি, খালিশপুর ও শহরতলি এলাকায় সীমিত আয়ের মানুষের বাস। বিপরীতে অভিজাত এলাকা হাজী মহসিন, সাউথ সেন্ট্রাল সড়ক, নিরালা ও সোনাডাঙ্গা।

খুলনা সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন এলাকার আয়তন এখন প্রায় ৪১ বর্গকিলোমিটার। শহরটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। ৩০ শতাংশ এলাকায় বাসাবাড়ি থেকে গৃহস্থালি বর্জ্য নেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। শহরের প্রধান সড়ক বাদে অলিগলির অধিকাংশ রাস্তা ভাঙাচোরা। অতিবৃষ্টিতে শহরের অনেক এলাকা ডুবে যায়। খাওয়ার পানির জন্য মানুষ এখনো গভীর নলকূপের ওপর নির্ভরশীল। খুলনা ওয়াসা যে পানি সরবরাহ করে, তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। গণপরিবহন বলতে তেমন কিছু নেই। অন্য শহরের মতো খুলনায়ও ইজিবাইকের আধিক্য। অবশ্য খুলনায় যানজট নেই বললেই চলে। সড়কগুলো বেশ প্রশস্ত। জীবনযাত্রার ব্যয় তুলনামূলক কম।

খাল দখলে, নগরে জলাবদ্ধতা

খুলনার বেশির ভাগ এলাকায় সিটি করপোরেশন ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজ করছে। তবে এতে জলাবদ্ধতা কতটুকু নিরসন হবে, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নগরের মধ্যে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা ছোট-বড় ২২টি খাল দখলমুক্ত করে পানিনিষ্কাশনের পথ করে দিতে না পারলে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে না। শহরের দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মতিয়াখালী খাল। এ খাল দিয়ে দুই দশক আগেও নৌকা চলত। এখন খালটি সরু হয়ে গেছে। সম্প্রতি শিপইয়ার্ড সড়ক ধরে মতিয়াখালী গিয়ে দেখা যায়, খালটির মাঝে কংক্রিটের ছোট নালা তৈরি করছে সিটি করপোরেশন। ৫০-৬০ ফুটের খালে হচ্ছে ১০ ফুটের নালা।

মতিয়াখালী খাল ধরে দক্ষিণ দিকে একটু এগোলে লবণচরা এলাকা। সেখানে একসময় লবণচরা নামে একটি খাল ছিল, এখন নেই। খালের ওপরই সরকারি একটি ক্লিনিক ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনারের কার্যালয় গড়ে উঠেছে। দুটোই দোতলা ভবন। মতিয়াখালী খালপাড় এলাকার বাসিন্দা মো. ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ২০ বছর আগেও এই খালে মানুষ গোসল করত, মাছ ধরত। কিন্তু এখন কিছুই নেই। খাল সরু নালায় পরিণত হয়েছে।

ময়ূর নদের প্রাণ যায়

খুলনা শহরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ময়ূর নদ। এই নদকে শহরের প্রাণ বলা হয়। যদিও এখন নদটির প্রাণ যায় যায়। শহরের সব পয়োবর্জ্য ও গৃহস্থালি বর্জ্যযুক্ত পানি গিয়ে পড়ে ওই নদে। নগরের ২০টির বেশি নালা যুক্ত হয়েছে ময়ূর নদে। পানি কুচকুচে কালো, কচুরিপানায় ভর্তি।

ময়ূর নদ দখলেরও শিকার। কোথাও বেড়া দিয়ে, কোথাও মাটির বাঁধ দিয়ে নদের জায়গা দখল করা হয়েছে। পাড়ের বাসিন্দাদের অনেকে একটু একটু করে নদী ভরাট করে নিজেদের বসতবাড়ির জমি বাড়িয়ে নিয়েছে। বছর দুই বছর আগে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়েছিল। তবে এখন আবার নদের পাড় দখল হয়ে যাচ্ছে।

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান বলেন, নদটির দুই পাড়ে হাঁটার পথ বা ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা দরকার।

সরকারি স্কুলেই আস্থা

খুলনায় এখন অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) পর এখন নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে।

খুলনায় শিক্ষার ক্ষেত্রে পুরোনো সরকারি স্কুল ও কলেজ ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। অভিভাবকেরা সন্তানদের এসব সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ভর্তি করাতে আগ্রহী। পরীক্ষায় ভালো ফল করছে খুলনা জিলা স্কুল, সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ ও সুন্দরবন আদর্শ কলেজের মতো সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

খুলনার সরকারি বিএল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জাফর ইমাম বলেন, সরকারি স্কুল ও কলেজে দক্ষ শিক্ষকেরা রয়েছেন। পড়াশোনার ব্যয়ও কম। তাই অভিভাবকেরা সরকারি প্রতিষ্ঠানকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তবে কিছু কিছু বেসরকারি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা মানের দিক দিয়ে ভালো।

খুলনায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনো কমতি নেই। কিন্তু জটিল কোনো রোগ হলেই মানুষ চিকিৎসার জন্য ছুটে যায় পাশের দেশ ভারতে। অনেকে হয় ঢাকামুখী। যেসব জেলায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বড় আঘাত হেনেছে, তার একটি খুলনা। জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৭৪৮ জনের। হাসপাতালে চিকিৎসাসুবিধা বাড়ানো হয়েছে, তবে বেশির ভাগ সময় করোনার চিকিৎসার ক্ষেত্রে উপকরণ, অবকাঠামো আর জনবলের ঘাটতি ছিল।

তারা এখন বিলুপ্ত

একসময় খুলনায় যেসব জনপ্রিয় নাট্য ও যাত্রাদল ছিল, সেগুলো এখন বিলুপ্ত। কিছু কিছু নামে টিকে আছে, তবে কার্যক্রম নেই। সিনেমা হলগুলোও একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। তিন দশকে বন্ধ হওয়া সিনেমা হলের তালিকায় রয়েছে সোসাইটি, চিত্রালী, জনতা, ঝিনুক, পিকচার প্যালেস, উল্লাসিনী, বৈকালী, স্টার ও মীনাক্ষী। এখনো কোনোরকমে টিকে আছে শঙ্খ, সঙ্গীতা ও লিবার্টি। যদিও দর্শক কম।

আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে গড়া খুলনা শিল্পকলা একাডেমি ভবনটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এটি চালু হলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গতি পাবে বলে মনে করছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।

খুলনায় ছোট-বড় পার্ক আছে নয়টি। শহরের মানুষ বেড়ানোর জায়গা হিসেবে শহীদ হাদিস পার্ক ও শিশুদের নিয়ে জাতিসংঘ পার্কে যায়। এর বাইরে রূপসা সেতু (খানজাহান আলী ব্রিজ) ও ভৈরব নদের পারে ৭ নম্বর ঘাট এলাকায়ও মানুষ ঘুরতে যায়। নগরের মানুষের বিনোদনের অন্যতম একটি স্থান হলো শহীদ হাদিস পার্ক। মহাত্মা গান্ধী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পা পড়েছে এই পার্কে। তবে করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ শহরের পার্কগুলো।

মাছের প্রাচুর্য, চুইঝালের ঐতিহ্য

খুলনা শহরের অন্যতম সরগরম এলাকা সাতরাস্তা মোড়। সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের ভিড় লেগে থাকে। রাতে সব রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকলেও সাতরাস্তার মোড়ে খাবারের দোকান খোলা থাকে।

মাছের জন্য খুলনা দেশজুড়ে খ্যাত। শহরের সন্ধ্যা বাজার আর রূপসার কেসিসি বাজারে গেলে বাগদা, গলদা, হরিণা, চাকা, পারশে, ভেটকি, নোনা পানির ট্যাংরাসহ প্রচুর সামুদ্রিক ও স্থানীয় ঘেরের মাছ পাওয়া যায়। দামও তুলনামূলক কম। কিনে অন্য জেলায় নিতে চাইলে বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করে দেন ব্যবসায়ীরাই। সম্প্রতি সন্ধ্যা বাজারে মাছ কিনতে যাওয়া মনিরুল ইসলাম বলেন, শুধু মাছ খাওয়ার জন্যই খুলনায় থাকা যায়।

শুধু মাছের প্রাচুর্য নয়, মাংস রান্নায়ও খুলনার সুনাম আছে। রহস্য অবশ্য চুইঝালে। চুইগাছের কাণ্ড বা লতা মসলা হিসেবে ব্যবহার করে গরু, খাসি, হাঁস ও মুরগির মাংস এবং মাছ ও সবজি রান্না করলে যে দারুণ স্বাদ তৈরি হয়, তার তুলনা পাওয়া কঠিন, অন্তত খুলনাবাসীর কাছে।

সব মিলিয়ে দেশের অন্য বড় শহরের তুলনায় বাসযোগ্যতায় খুলনা পিছিয়ে নেই। খুলনার ভৈরব নদের ৬ ও ৭ নম্বর ঘাট এলাকায় সম্প্রতি পরিবার নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) অধ্যাপক তুহিন রায়। তিনি বলেন, শহরে নানা সংকট আছে, তারপরও শহরটি এখনো যানবাহনের জঙ্গলে পরিণত হয়নি। রাস্তাঘাট যথেষ্ট প্রশস্ত, দূষণ তুলনামূলক কম।

তুহিন রায় বলেন, সবচেয়ে বড় কথা, বেশ কম খরচে এই শহরে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকা যায়। ভৈরবের তীরে দাঁড়িয়ে শ্বাস নেওয়া যায় বুকভরে। সুত্র : প্রথম আলো